মুহূর্তকথা – হর্ষ দত্ত (প্রথম খণ্ড) / MUHURTA KOTHA – HARSH DUTTA (VOL-1)
হর্ষ দত্তর নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ
মুহূর্ত যখন বাঙ্ময় হয়ে ওঠে, মুহূর্তকথারা পাড়ি দেয় এক অজানা যাত্রাপথে। দেশকালের সীমা ছাড়িয়ে তারা হয়তো শ্রোতাকে, পাঠককে নিয়ে যায় অন্য এক মহান অঙ্গনে, যেখানে ঋদ্ধ হতে হয় ভিন্ন এক পাঠ-অভিজ্ঞতায়, অভিনব কোনো জীবনবোধে। হয়ে ওঠা অথবা না-হয়ে ওঠা এই মুহূর্তকথারাই চিরায়ত কথাসাহিত্যের প্রাণ, তারাই সাঁতারু প্রজন্মস্মৃতির এই প্রবহমান স্রোতে। ‘মুহূর্তকথা’_এই শিরোনামে পারুল নিবেদ করছে বাংলা ছোটোগল্পের চিরায়ত সৃজনকর্মগুলিকে। মুহূর্তকথা-র এই দ্বিতীয় পর্যায়ে আমাদের নিবেদন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহাশ্বেতা দেবী, বুদ্ধদেব গুহ ও হর্ষ দত্তর নির্বাচিত গল্পসংগ্রহ।
পাগলা দাশু / PAGLA DASHU
চিত্রনাট্য ও ছবি: সুযোগ বন্দ্যোপাধ্যায়
পাগলা দাশুকে কে না-চেনে? যেমন অদ্ভুত তার কথাবার্তা, তেমনই বিটকেল তার আচার-আচরণ! চেহারায়, কথাবার্তায়, চালচলনেই বোঝা যায় তার মাথায় একটু ছিট আছে! কিন্তু বোকা সে একেবারেই নয়। অঙ্ক কষার সময় দিব্যি তার মাথা খোলে! আর বন্ধুদের বোকা বানিয়ে তামাশা দেখার জন্য এমন ফন্দি দাশু বার করে, যে তার বুদ্ধির তারিফ না-করে পারা যায় না!
TARGET PRASHNA SANKALAN- CLASS 7 / টার্গেট প্রশ্ন সংকলন – সপ্তম শ্রেণী (2026)
পারুল মেধা অন্বেষণ 2026 প্রতিযোগিতা-র আবেদনপত্র সংযোজিত
সকল বিষয় একত্রে
প্রতিটি বিষয়ের অধ্যায়ভিত্তিক Scanner উত্তর-সহ
HOLISTIC PROGRESS REPORT CARD অনুসারে
নবপ্রবর্তিত অভীক্ষা পদ্ধতি অনুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ক্রমিক মূল্যায়ন- যথাক্রমে 30, 50 ও 70 নম্বরের প্রশ্নপত্র সংবলিত
SMART ENGLISH 12 (SEMESTER-III)
Written according to the Semester-wise New Syllabus, Question-pattern and Marks-distribution introduced by WBCHSE in 2024
and
latest updates made by WBCHSE in 2025
Including
HS Examination (SEMESTER III) – 2026
HS Examination (SEMESTER III) – 2026 (Supplementary)
FREE
SMART QUESTION BANK
PRARAMVIK RASHTRABIJNAN- 11 (SEMESTER- I) / প্রারম্ভিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান- ১১ (SEMESTER- I)
পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাসংসদ প্রবর্তিত ২০২৪ সালের Semester-ভিত্তিক নতুন Syllabus, Question Pattern ও Marks Distribution অনুসারে রচিত
BARNAPARICHAY (DWITIA BHAG) / বর্ণপরিচয় ( দ্বিতীয় ভাগ ) – NEW EDITION
শিশুশিক্ষার জন্য নানা ধরনের বাংলা প্রাইমার প্রকাশিত হয়েছে , কিন্তু ‘ বর্ণপরিচয় ‘ – এর চাহিদা আজও অব্যাহত ।
শ্রাদ্ধপদ্ধতি / SHRADHYAPADHYATI
(সামবেদীয় ও যজুর্বেদীয় পদ্ধতিতে মন্ত্রের অর্থসহ)
প্রবীরকুমার চট্টোপাধ্যায় কাব্যতীর্থ
জন্মিলে মরিতে হবে অমর কে, কোথা, কবে? জন্মের মতো মৃত্যুও এক শাশ্বত সত্য। মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী, কিন্তু মৃত্যুতেই শেষ নয় আমাদের জীবন। এর পরেও রয়ে যায় আর এক অভিযাত্রা। পরমব্রহ্মের সঙ্গে মিলিত হওয়ার আগে আমাদের উত্তরজীবন। মৃত ব্যক্তির পার্থিব জীবনকে সম্মান জানিয়ে তাঁর অপার্থিব উত্তরজীবন যাতে দ্রুত স্বর্গগামী হয়, সেই উদ্দেশ্যে অনাদিঅতীতকাল থেকে সকল ধর্মে পারলৌকিক ক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে আসছে। হিন্দুধর্মমতে এই ক্রিয়ার নাম ‘শ্রাদ্ধ’_শ্রদ্ধার সঙ্গে কৃত প্রিয়জনতর্পণ। সামবেদীয় ও যজুর্বেদীয়_উভয় পদ্ধতিতেই সেই বৈদিক যুগ থেকে হিন্দুরা শ্রদ্ধানুষ্ঠান পালন করে আসছেন। এই উত্তরাধুনিক একবিংশ শতকেও তার অন্যথা হয়নি। সমস্যা অন্যত্র। সংস্কৃত ভাষাচর্চার ক্রমাবনতি আমাদের শাস্ত্রবিষয়ে অজ্ঞ ও অনভিজ্ঞ করে তুলেছে। ফলে, অনর্থজ্ঞ পুরোহিতরা যখন তর্পণকার্যে প্রবৃত্ত হন, শ্রাদ্ধ অসম্পূর্ণ থাকে। এই গ্রন্থ রচনার উদ্দেশ্য : সংস্কৃত মন্ত্রে রচিত, বিধিবদ্ধ শ্রাদ্ধপদ্ধতিকে সকলের কাছে অর্থময় করে তোলা। এই গ্রন্থ অনুসরণ করে অর্থবোধসহ মন্ত্রোচ্চারণ করলে পুরোহিতরা তর্পণকার্য সুসম্পন্ন করবেন এবং উচ্চারিত মন্ত্রের অর্থ হৃদয়ঙ্গম করে পারলৌকিক ক্রিয়ারত ব্যক্তিরাও শ্রাদ্ধের মর্ম অনুভব করবেন। গ্রন্থের শেষে সংযোজিত ভারতসাবিত্রী-র পাঠ সমগ্র মহাভারতপীঠের পুণ্যপ্রদান করবে।