“যে ব্যক্তি এই হীরার মালিক হবে সে তামাম দুনিয়ারও মালিক হবে কিন্তু তামাম দুনিয়ার যাবতীয় দুর্ভাগ্য সেই হতভাগ্যের অধীনে থাকবে !”
Recommended by Teachers Preferred by Students
শীর্ষেন্দ মুখোপাধ্যায়
শুধু নির্মল হাসিই নয়, সুতীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ, এমনকী গা-ছমছমে রোমকূপ খাড়া করা অনুভবও মিলবে এ সংকলনের গল্পগুলিতে। দু-মলাটে_এই সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কিশোরকাহিনিকারের_পঁচিশটি শ্রেষ্ঠ গল্পের আয়োজন।
প্রবীরকুমার চট্টোপাধ্যায়
দুর্গাপূজা নিঃসন্দেহে বাঙালির জাতীয় উৎসব। ধর্মীয় অনুষঙ্গের সীমাবদ্ধতা পার করে এই পূজা বৃহত্তর বঙ্গভূমির মিলনোৎসব। অথচ অধিকাংশ পূজকের কাছেই এই পূজার মন্ত্রের অর্থ অবিদিত। সংস্কৃত শিক্ষার সার্বিক অবনমন ও ক্রমাবলুপ্তিই হয়তো এর কারণ। এই অমার্জনীয় ত্রুটি পূজাকে অসম্পূর্ণ ও অসার্থক করে তোলে, যেহেতু অর্থবোধহীন মন্ত্রোচ্চারণ প্রলাপেরই শামিল। কালিকাপুরাণোক্ত দূর্গাপূজা পদ্ধতি এই প্রথম বঙ্গানুবাদসহ প্রকাশিত হল। মহামহোপাধ্যায় শ্যামাচরণ কবিরত্ন বিদ্যাবারিধি মহাশয়ের প্রদর্শিত পথে এই অনুপাদ ধর্মপ্রাণ পাঠক, নিষ্ঠাবান পূজক এবং ধর্মশাস্ত্রের অনুসন্ধিৎসু গবেষক_সকলের কাছেই এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে।
প্রবীরকুমার চট্টোপাধ্যায়
বিধিপূর্বক সামবেদোক্ত সংস্কারকর্ম পালন এখন এক দুঃসাধ্য কার্যে পরিণত হয়েছে। সংস্কারকর্ম পালনের সময় মন্ত্রোচ্চারণ আবশ্যিক। অথচ সংস্কৃতজ্ঞানের অভাবে উচ্চারিত মন্ত্রের অর্থ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রয়ে যায় অবিদিত। অর্থবোধহীন মন্ত্রোচরণের ফলে শূদ্রত্ব থেকে দ্বিজত্বে উত্তরণে অপারগ হই আমরা। এই প্রথম যাবতীয় মন্ত্রের বঙ্গানুবাদসহ প্রকাশিত হল সামবেদীয় সংস্কারকর্ম। ব্রহ্মজ্ঞানান্বেষী পুজক,পাঠক তথা ধর্মশাস্ত্রের অনুসিন্ধিৎসু গবেষক_ সকলকেই এই গ্রন্থ এক নতুন পথের দিশা দেবে।
কোথাও অন্তস:ত্ত্বা নারীরা খুন হচ্ছেন, কোথাও আবার আচমকা শুরু হয়ে যাচ্ছে মোটিভবিহীন মৃত্যুমিছিল! প্যানিক অ্যাটাক আর আত্মহত্যায় বলি হওয়া মানুষগুলোকেও কি আসলে হত্যা করা হয়েছে? শোণিতপিপাসু ড্রাকুলার রক্ততৃষ্ণার নেপথ্যে কোন রহস্য লুকিয়ে?

ক্রিমিনাল সাইকোলজি আর আনপ্রেডিক্টেবল প্লটের দুর্লভ মেলবন্ধন অমৃতা কোনারের অপ্রতিরোধ্য থ্রিলারে। নির্মেদ, শানিত গদ্যে শুধু অপরাধীর মনই নয়, অমৃতা চিনিয়ে দেন পরিশীলিত মুখোশের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভণ্ড এই সময়ের গভীর অসুখগুলিকেও।
এই বইয়ের উদ্দেশ্য, পাঠকের সামনে সেই ঘটনার আগে-পরে সমস্ত ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের ব্যাখ্যা হাজির করা। কাশ্মীর উপত্যকার সৌন্দর্যের নাম উচ্চারণ করলে প্রথম সারিতেই উঠে আসে পহেলগাঁও। তুষারঢাকা পাহাড়, নদীর কলতান, পাইন ও দেবদারুর সবুজ- সব মিলিয়ে পুরো এলাকা বহু দশক ধরে শুধু ভ্রমণপিপাসু মানুষ নয়, ধর্মীয় তীর্থযাত্রীদেরও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু প্রকৃতির সেই সৌন্দর্যের আড়ালে যে ভয়াবহ জঙ্গি নাশকতা ঘটে গিয়েছে, তার পুঙ্খানুপুগ্ধ বিশ্লেষণ রয়েছে এই বইয়ের পাতায় পাতায়। গোয়েন্দাদের তদন্ত রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা, সাংবাদিকতার গবেষণা, সব মিলিয়ে দু’মলাটে পাওয়া যাবে পাকিস্তানের ঘৃণ্য কার্যকলাপ সংক্রান্ত সেই সব প্রশ্নের উত্তর। নৃশংস ওই ঘটনার বৃত্তান্ত জানতে চান তামাম ভারতবাসী। হয়তো বা পাঠক হিসেবে আপনিও।
পহেলগাঁও হামলার বিশ্লেষণ তাই শুধু একটি ট্র্যাজেডির স্মৃতিকথা নয়, পাকিস্তান নামের একটি দেশের স্বরূপ সকলের সামনে তুলে ধরা।