|
✨দুর্গাপূজা উপলক্ষে 📦16th October থেকে 27th October পর্যন্ত ডেলিভারি বন্ধ থাকবে। 🛒 তবে অনলাইনে অর্ডার করা যাবে। 🚚ডেলিভারি পুনরায় শুরু হবে 28th October 2026 থেকে। |
দেশকালের সীমানা পেরোনো সেই সমস্ত শাশ্বত শ্লোক আজও মানবজীবনে জাগরণের মহামন্ত্র হয়ে উঠতে পারে ।
শিবরাম চক্রবর্তী
চিত্রনাট্য ও ছবি: সুযোগ বন্দ্যোপাধ্যায়
হর্ষবর্ধন আর গোবর্ধন_দুই ভাইয়ের কীর্তি-কাহিনির এই দ্বিতীয় খণ্ডে পত্রবাহকের ভূমিকায় নাকাল হতে দেখা যাবে হর্ষকে। সেইসঙ্গে যুদ্ধে না-যাওয়ার জন্য গোবরার কেরামতি, বিদেশি গাড়ি কেনা, না-কেনা নিয়ে হর্ষর ধন্দ, সোনার ফসল ফলাতে তাঁর নিদারুণ পণ্ডশ্রম আর মিষ্টির দোকানের পাহারাদার হিসেবে গোবর্ধনের ‘কৃতিত্ব’-র মুখরোচক গল্প তো রয়েছেই! সুযোগ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অননুকরণীয় চিত্রনাট্য ও ছবিতে শিবরাম চক্রবর্তীর কালজয়ী সৃষ্টি এবার কমিকসের পাতায়! পাতা উলটোলেই দমফাটা হাসির রোলে ফেটে পড়বে ছোটো থেকে বড়ো সব বয়সের পাঠক।
চিত্রনাট্য ও ছবি: সুযোগ বন্দ্যোপাধ্যায়
পাগলা দাশুকে কে না-চেনে? যেমন অদ্ভুত তার কথাবার্তা, তেমনই বিটকেল তার আচার-আচরণ! চেহারায়, কথাবার্তায়, চালচলনেই বোঝা যায় তার মাথায় একটু ছিট আছে! কিন্তু বোকা সে একেবারেই নয়। অঙ্ক কষার সময় দিব্যি তার মাথা খোলে! আর বন্ধুদের বোকা বানিয়ে তামাশা দেখার জন্য এমন ফন্দি দাশু বার করে, যে তার বুদ্ধির তারিফ না-করে পারা যায় না!
শুধু দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম মহিলা চিকিৎসক হিসেবে নয়, কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায় সমসময়কে আলোড়িত করেছিলেন তাঁর দৃঢ়চেতা ব্যক্তিত্ব, সুতীক্ষ্ণ সমাজ ও রাজনৈতিক সচেতনতা এবং সর্বোপরি, ভারতীয় নারীর নবজাগরণে তাঁর কালজয়ী ভূমিকাপালনের মাধ্যমে।
বর্তমান গ্রন্থে, প্রামাণ্য তথ্যাদি সহযোগে শুধু কাদম্বিনীর বিশ্বস্ত জীবনীই রচিত হয়নি, অনুসন্ধানী ও বিশ্লেষণী দৃষ্টিতে আলোকিত হয়েছে উনিশ ও বিশ শতকের এক সদাপরিবর্তনশীল দ্বান্দুিক পর্বও।
শ্রীসুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
বাংলার সতেরো জন মনীষীকে নিয়ে লেখা সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মনীষী স্মরণে গ্রন্থটি বিবিধ কারণে গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথকে আমরা বিশ্লেষিত হতে দেখি তাঁর বিভিন্ন ভূমিকায়। ব্যাকরণিয়া তথা বাকপতি শ্রীরবীন্দ্রনাথই যখন বিশ্বদরবারে ভারতের দুত হয়ে প্রাচ্যের বাণীকে পৌঁছে দেন প্রতীচ্যে, তখন সুনীতিকুমার প্রদত্ত তাঁর বিস্তারিত পরিচয় পেয়ে আমাদের বিস্ময়ের অবধি থাকে না। এই সকল প্রবন্ধের রচনা প্রসঙ্গ বিবিধ। যাঁরা এখানে আলোচিত, তাঁদের প্রায় প্রত্যেকের সঙ্গেই ছিল ভাষাচার্যের আত্মিক সম্পর্ক। কিন্তু যখনই এই সকল মনীষী বিশ্লেষিত হয়েছেন সুনীতিকুমারের কলমে, তখন তাঁর আলোচনা ব্যক্তিগত ও নৈর্ব্যক্তিক পরিসর পেরিয়ে পাড়ি জমিয়েছে ভিন্ন এক নন্দনের অভিমুখে।