অভয়া || ABHAYA
₹225.00অন্ধকারের অন্তরালে লুকিয়ে থাকে
কিছু মুখ, কিছু সত্য, আর কিছু অপরাধ…
জীবন্ত ড্রাগন || JIBONTO DRAGON
₹128.00 × 1
ইতিহাস ও পরিবেশ রেফারেন্স || দশম শ্রেণি || ITIHAS O PARIBESH REFERENCE || CLASS 10
₹330.00 × 1 Subtotal : ₹458.00
কুলদারঞ্জন রায়ের হাত ধরেই শার্লক হোমসের সঙ্গে বাঙালি পাঠকের প্রথম সার্থক পরিচয়।
স্যার আর্থার কনান ডয়েলের
দ্য হাউন্ড অব দ্য বাস্কারভিলস-এর কুলদারঞ্জন-কৃত ভাষান্তরই বাংলা ভাষায় হোমসকাহিনির প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদ। পরবর্তীকালে, কুলদারঞ্জন রচনা করেন ‘শার্লক হোমসের বিচিত্র কীর্ত্তি-কথা’। এই অনুবাদে একদিকে যেমন তিনি থেকেছেন মূলের প্রতি বিশ্বস্ত, অন্যদিকে তাঁর ভাষান্তর কখনওই আক্ষরিক হয়ে যায়নি। কনান ডয়েলের রচনার ভাব, গতি ও রসকে বাংলা ভাষার নিজস্ব চলন ও স্পন্দে ধারণ করে তাঁর অনুবাদ হয়ে উঠেছে অপূর্ব এক পুনঃসৃজন! হোমস ও ওয়াটসন হয়ে ওঠেন বাঙালির একান্ত আপনজন।
স্কুল পড়ুয়া কিশোর পিকলু সোনাঝুরির গভীর অরণ্যে হারিয়ে গিয়ে প্রতিহিংসাপরায়ণ প্রতিপক্ষের ফায়ারিং স্কোয়াডের সামনে পড়ে যায় ; নাগপুরের রামগিরি পাহাড়ের রহস্যময় পথে প্রিয় মানুষকে খুঁজতে গিয়ে নাগিনীদের খপ্পরে পড়ে ; পার্বত্য প্রদেশ মিজোরামে প্রকৃতি আর টানটান উত্তেজনায় তলিয়ে যায় রহস্যের গভীর খাদে ; সুদূর প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে হনলুলু দ্বীপে আমেরিকার গোপন মিশনের মধ্যেই হারিয়ে যাওয়া বিখ্যাত বিজ্ঞানীকে উদ্ধার করতে গিয়ে বিপন্ন হয় ; মহামূল্যবান, বিরল স্কার্লেট ম্যাকাওকে উদ্ধার করতে গিয়ে পড়ে প্রাণান্তকর পরিস্থিতির মধ্যে ; অস্ট্রেলিয়ায় বেড়াতে গিয়ে ভয়ংকর দুষ্কৃতিদের বেপরোয়া বন্দুকের মুখোমুখি হয় আর বাঘমুণ্ডির গা ছমছম অরণ্যময় পাহাড়ের বাঁকে মুখোমুখি হয় নিশ্চিত মৃত্যুর!
কী হয় তারপর?
দূরন্ত গতি আর টানটান উত্তেজনা- আবীর গুপ্তর থ্রিলার মানেই রুদ্ধশ্বাস সাসপেন্স আর অভাবনীয় কাহিনির বাঁক। সমসাময়িক থ্রিলারসাহিত্যে সমীহ আদায় করে নেওয়া এই লেখকের একডজন থ্রিলার-এর পাতা উলটোলেই রোমাঞ্চের আঘ্রাণ!
পণ্ডিতপ্রবর কালীবর বেদান্তবাগীশ মহাশয় রচিত
পরলোক রহস্য / THE MYSTERY AFTER DEATH
বাংলা রহস্য রোমাঞ্চ সাহিত্যের অগ্রণী লেখকদের প্রায় বিস্মিত কিছু রুদ্ধশ্বাস কাহিনীকে দু মলাটের মধ্যে নিয়ে এসেছে এই অনন্য সংকলন I
অন্নদাশঙ্কর রায়
অন্যান্য ভ্রমণকাহিনির থেকে পথে প্রবাসে-র স্বাতন্ত্র্য এইখানেই যে, অন্নদাশঙ্করের চোখ শুধু অবলোকন করেই থেমে থাকেনি, তা তাঁর মনকে প্ররোচিত করেছে অনুভবী বিশ্লেষণে। প্রাচ্য পাশ্চাত্যের নিরন্তর তুলনা করে তিনি উপনীত হয়েছেন গভীর দার্শনিক উপলব্ধিতে।
যখন অন্নদাশঙ্কর লেখেন, ‘পৃথিবী দিন দিন বদলে যাচ্ছে, মানুষ দিন দিন বদলে যাচ্ছে_কিন্তু উন্নতি? প্রগতি? পারফেকশন? তা কোনোদিন ছিলও না, কোনোদিন হবারও নয়়’, তখন আমরা অনুভব করি ইতিহাস সচতেন তো তিনি বটেই, সেই সঙ্গে পরম প্রজ্ঞাময় এক দ্রষ্টাও।